পৃষ্ঠাসমূহ

মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১২

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ-এর ভাষণ। ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রিত অবস্থায় থাকা অবস্থায় অ্যাসাঞ্জের ভাষণ।


ঢাকা:


আপনারা কী শুনতে পাচ্ছেন?

আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি কারণ, আপনাদের সঙ্গে আমাকে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। আপনাদের সবাইকে এখানে আসার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের দৃঢ়চেতা মনোভাব ও সহমর্মিতার জন্য অজস্র ধন্যবাদ।

বুধবার রাতে এই দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং এই ভবনে পুলিশ অনুপ্রবেশ করাণোর চেষ্টা হয়েছিল। সেদিন মাঝরাতে আপনারা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন এবং বিশ্বের দৃষ্টি আপনাদের সঙ্গে এই দূতাবাসের সামনে নিয়ে এসেছিলেন।

দূতাবাসের ভেতরে অন্ধকার হয়ে যাওয়ার পর আমি পুলিশের পায়ের আওয়াজ পাচ্ছিলাম। তারা অভ্যন্তরীন অগ্নি-দূর্ঘটনার জন্য ব্যবহৃত রাস্তা ধরে ভেতরে ঢোকার চেষ্টায় ছিল। কিন্তু আমি জানতাম, এরকম কিছু হলে ঘটনার সাক্ষী থেকে যাবেই; আর সেই সাক্ষী আপনারা!

সেদিন রাতে যুক্তরাজ্য যে ভিয়েনা কনভেনশনকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়নি; তার একমাত্র কারণ, ঘটনার দিকে পুরো বিশ্ব তাকিয়ে ছিল। আর বিশ্ব এখানে তাকিয়ে ছিল, কারণ আপনারা এখানে তাকিয়ে ছিলেন!

এরপরও আপনাদের যদি কেউ বলেন যে, আপনাদের এই রাতজাগার কোনো অর্থ হয় না; প্রিয় বন্ধুরা আমার, তাকে স্রেফ মনে করিয়ে দেবেন কিভাবে আপনারা এই একুয়েডর দূতাবাসের সামনে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে এইসব ঘটনা ঠেকিয়ে দিয়েছেন!

এবং আরও মনে করিয়ে দেবেন যে, কিভাবে পরের দিন নতুন এক সূর্যের আলো ভিন্ন এক দুনিয়ায় প্রবেল করেছিল। মনে করিয়ে দেবেন যে, কিভাবে পরদিন সকালে লাতিন দেশগুলো ন্যায়বিচারের পক্ষে দারুণ সাহসী ভূমিকা নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল।

আজ সেই সাহসী মানুষগুলোর জন্যও আমার পক্ষ থেকে অনেক ধন্যবাদ। প্রেসিডেন্ট কুরিয়া (রাফায়েল ভিসেন্তে কুরিয়া দেলগাদো, একুয়েডরের প্রেসিডেন্ট) আমার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা বিবেচনা করে এবং পরে মঞ্জুর করে যে সাহস দেখিয়েছেন; সে জন্য ধন্যবাদ।

একইরকম একুয়েডরের সরকার এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্দো পিন্তোকে ধন্যবাদ জানাতে হয়। কারণ, তারা আমার ব্যাপারটি বিবেচনা করে একুয়েডরের সংবিধান ও বৈশ্বিক মানবতার ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সমুন্নত রেখেছেন।

আমাকে সমর্থন দেওয়া এবং তাদের সংবিধানের পক্ষে কাজ করে যাওয়ার জন্য একুয়েডরের জনগণকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।

এই দূতাবাসের প্রত্যেক কর্মীর কাছে আমার কৃতজ্ঞতার ঋণ অসীম। এদের অনেকেরই পরিবার-পরিজন লন্ডনে বসবাস করেন। তারা প্রতিনিয়ত নানারকম হুমকি পাওয়ার পরও আমার প্রতি যে মমতা ও আতিথ্য দেখিয়েছেন; তা বলে শেষ করা যাবে না।

শুক্রবার এই লন্ডনে লাতিন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বিশেষ জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে। আমি লাতিন আমেরিকার দেশগুলি; আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, নিকারাগুয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, এল সালভাদর, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, পেরু, ভেনিজুয়েলা এবং আরও সব রাষ্ট্রের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার রাজনৈতিক আশ্রয়কে সমর্থন জানানোর জন্য।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও অস্ট্রেলিয়ায় সরকার আমাকে সমর্থন করছে না; কিন্তু দেশগুলির যেসব মানুষ সরকারী মনোভাব উপেক্ষা করে আমাকে সমর্থন জানিয়ে আমাকে শক্তিশালী করছেন; তাদের অনেক ধন্যবাদ। এবং এসব সরকারের মধ্যে এখনও যে গুটিকয় বিবেচনাক্ষম লোক এখনও ন্যায় বিচারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছেন; তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের দিন একদিন আসবেই।

উইকিলিকসের সব কর্মী, সমর্থক এবং সূত্রকে ধন্যবাদ; যাদের কমিটমেন্ট আর বিশ্বস্ততার কোনো তুলনা হয় না।

আমার পরিবার এবং আমার সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা; যে সন্তানদের তাদের বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। আমরা খুব দ্রুত আবার একত্রিত হবো!

আজ উইকিলিকস যখন হুমকির মুখে; তার মানে বুঝতে হবে আমাদের এই সমাজের মুক্তবুদ্ধি এবং চিন্তার স্বাধীনতাও হুমকির মুখে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের বিপক্ষে এই আন্দোলনকে আমাদের ভবিষ্যত নির্ধারণের পথ হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

আমরা কি আবার একত্রিত হতে পারব? আমরা কি যে মতাদর্শ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম, সেই মতাদর্শ আরও শক্ত করে তুলে ধরতে পারব?

নাকি আমাদের মতাদর্শ পাথরে মাথা কুটে মরবে? নাকি আমাদের সবাইকে ভয়ানক এক রূঢ় দুনিয়ায় টেনে নিয়ে যাবে! যেখানে সব সাংবাদিক মামলার ভয়ে চুপ করে যাবে। যে দুনিয়ায় সব নাগরিককে অন্ধকারে চিৎকার করে ফিরতে হবে!

আমি বলছি, আমরা অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

আমি প্রেসিডেন্ট ওবামাকে বলছি, সঠিক কাজটা করুন। উইকিলিকসের বিপক্ষে এই ডাইনি-হত্যাযজ্ঞ এখনই বন্ধ করুন।

যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই আমাদের বিপক্ষে এফবিআই তদন্ত বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই পরিষ্কার করে বলতে হবে যে, তারা আমাদের কর্মীদের এবং সমর্থকদের দণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করবে না।

যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সারা দুনিয়ার সাংবাদিকদের সামনে কথা দিতে হবে যে, তারা ক্ষমতাধরের গোপন অপরাধ উন্মোচন করতে সাংবাদিকদের আর বাধা দেবে না।

কোনো সংবাদ সংস্থার বিপক্ষে এই ধরনের নির্বোধের মতো আইনি ব্যবস্থা আর নেওয়া চলবে না; সে উইকিলিকসই হোক, আর নিউইয়র্ক টাইমসই হোক!

সমাজের প্রহরীদের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের এই লড়াই অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

থমাস ডার্ক, উইলিয়াম বিনে, জন কিরাকৌ সহ যুক্তরাষ্ট্রের যেসব নায়োকোচিত মাজের প্রহরীরা আছেন; তাদেরকে অবশ্যই, অবশ্যই মুক্ত করে দিতে হবে। অবশ্যই তারা জনগনের কর্মচারী হিসেবে যে কঠোর সময় পার করেছেন এবং যে দায়িত্ব পালন করেছেন; সে জন্য যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এবং সেইসব সামরিক ব্যক্তি যাদের লিভেনওয়র্থ দূর্গ, কানাসে বন্দী রাখা হয়েছে; তাদের ছেড়ে দিতে হবে। কোয়ান্টিকো, ভার্জিনিয়াতে জাতিসংঘের তৈরি করা নির্যাতনের কেন্দ্রগুলোতে যেসব বন্দী আছেন; যারা বন্দীত্বের দু বছর পরও বিচারের মুখ দেখতে পারনি; তাদের অবশ্য  অবশ্যই ছেড়ে দিতে হবে।

ব্র্যাডলি ম্যানিংকে যে অপরাধে অপরাধী বলা হচ্ছে, তা যদি সে সত্যিই করে তাকে; তাহলে সে একজন নায়ক! সে সত্যিই আজদের দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বন্দী। এই ব্র্যাডলি ম্যানিংকে অবশ্যই ছেড়ে দিতে হবে।

বুধবার পর্যন্ত ব্র্যাডলি ম্যানিং বিচার ছাড়াই ৮১৫ দিন জেলে কাটিয়ে ফেলেছে! যেখানে এর সর্বোচ্চ সীমা ১২০ দিন।

বৃহস্পতিবার আমার বন্ধু নাবিল রজবকে একটি টুইট করার অপরাধে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাশিয়ার একটি ব্যান্ডদলকে রাজনৈতিক পারফরম্যান্স করার অপরাধে জেলে ঢুকানো হয়েছে।

আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন এইসব হিংস্রদের মধ্যে একটি একাত্মতা আছে।

  
এখন আমাদের এই প্রতিবাদে অবশ্যই আরও একাত্ম এবং আরও দৃঢ় হয়ে উঠতে হবে।

ধন্যবাদ।
অনুবাদ: দেবব্রত

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

আবারও বেড়েছে জঙ্গী উৎপাত রাজধানীতে জইশ-ই-মোহাম্মদের ‘সংগঠক’ ধৃত

১৬ আগষ্ট, ঢাকা:
আবারও বাংলাদেশে জঙ্গী উৎপাত বেড়েছে। বাংলাদেশে জঙ্গী ও মৌলবাদভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও নামে-বেনামে চলছে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি। আর সেক্ষেত্রে দেশীয় সংগঠনের চেয়ে পাকিস্তানকেন্দ্রীক সংগঠনের যোগাযোগ শঙ্কায় ফেলেছে বাংলাদেশকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ আগষ্ট) পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে জড়িত আছেন এমন অভিযোগে বালাদেশেল ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছে এক সংগঠক। বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ এমন দাবী করেছে।

ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলাম এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেছেন, “রামুর ওই মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ সাবের আহমদ বর্তমানে পাকিস্তানে পাড়ি জমিয়েছেন। তিনিই ইউনুসকে এখানে ওই রামুতে রেখেছেন এবং সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন।”

গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গী নেতা মাওলানা মো. ইউনুস-এর বয়স ৪৮। তিনি দুপুরে রাজধানী ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় ছিলেন; তাকে সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগরের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এই সংগঠক বাংলাদেশের কক্সবাজারের রামু উপজেলার মৌলভীকাটা আল ইভারি দাখিল মাদ্রাসায় পড়ান। তার সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠনটির যোগাযোগ আছে বলে অভিযোগ করেছে গোয়েন্দারা।

পুলিশের দাবি, ইউনুস পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনটির স্থানীয় সংগঠক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ; তিনি রামুতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে যুক্ত করানোর এবং তাদেরকে বাংলাদেশ তথা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলা মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করার উদ্ভুদ্ধ করেন।

তবে ইউনুস কী শুধুই কক্সবাজারে সাংগঠনিক কর্মকান্ড করেন নাকি দেশের অন্যান্য স্থানেও তার যাতায়াত আছে তা এখনও খতিয়ে দেখার বাকি আছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্তা। তিনি জানান; ক’দিন আগে জাল পাসপোর্টে বিদেশ যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বেশ ক’জন রোহিঙ্গা। তাদেরই দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ইউনুসকে গ্রেপ্তার করা হলো।

উল্লেখ্য; দুদিন আগে অর্থাৎ বুধবার বাংলাদেশের পুলিশ বুধবার বিমানবন্দর থেকেই নূর হাবা ও নূর আহমেদকে আটক করেছিলো। তাদের কাছে জাল পাসপোর্ট ছিলো এবং তারা সন্দেহভাজন।

শুক্রবার, ১০ আগস্ট, ২০১২

খাদ্য নিরাপত্তায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ

১০ আগষ্ট, ঢাকা:

নিজেরা নিজেদের দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ ও খাদ্য নিরাপদ হিসেবে উল্লেখ করলেও হতাশ করেছে ইকোনোমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট প্রকাশিত নতুন বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিবেদন। ওই প্রতিবেদনে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার সবচে খারাপ অবস্থা বাংলাদেশের। ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

বিশ্বের ১০৫টি দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, খাদ্যের সহজলভ্যতা এবং মান ও নিরাপত্তা- এ তিনটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে করা প্রতিবেদনে ব্রিটেনের সাময়িকী ইকোনমিস্টের গবেষণা শাখা জানিয়েছে; ১০০ ’র মধ্যে ৩৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম!

বাংলাদেশের আগে আছে শ্রীলংকা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচে এগিয়ে শ্রীলংকা। ৪৭ দশমিক ৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় তারা ৬২তে। এছাড়া ভারত ৬৬ (স্কোর ৪০.৫), পাকিস্তান ৭৫ (স্কোর ৩৮.৫), মিয়ানমার ৭৮ (স্কোর ৩৭.২) এবং নেপাল আছে ৭৯তম (স্কোর ৩৫.২) স্থানে।
তবে যথারীতি খ্যাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নে এগিয়ে আছে ধনী দেশগুলো। তালিকার প্রথম স্থানে যুক্তরাষ্ট্র (স্কোর ৮৯.৫) বাকি দুটো স্থানে আছে ডেনমার্ক (স্কোর ৮৮.১) ও ফ্রান্স (স্কোর ৮৬.৮)।

তবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তিনটি শক্তির জায়গা উঠে এসেছে প্রতিবেদেন। এগুলো হলো পুষ্টিমান, কৃষি উৎপাদনের নিশ্চয়তা ও কৃষকদের ঋণ প্রাপ্তির সুবিধা।

তবে কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে সরকারের বরাদ্দের স্বল্পতা, খাবারে বৈচিত্রের অভাব, মাথাপিছু গড় বার্ষিক উৎপাদন কম হওয়া, আমিষ জাতীয় খাদ্যের স্বল্পতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরবরাহের অপ্রতুলতা বাংলাদেশের বড় দূর্বলতা।

তালিকার সবচে নিয়ে আছে আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলের দেশগুলোর।

শেষ তিনটি স্থানে আছে বুরুন্ডি, শাদ ও কঙ্গো।
পান্থ রহমান, ঢাকা

বাংলাদেশে হচ্ছে নতুন দল; ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট


১০ আগষ্ট, ঢাকা:
 আরও একটি নতুন রাজনৈতিক দল আসছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের অংশ হিসেবে নতুন দল গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি থেকে পদত্যাগী নাজমুল হুদা। তার নতুন দলের নাম রাখা হয়েছে; বিএনপির প্রতিষ্ঠাত জিয়াউর রহমানের আমলের ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট’-এর নামে। নতুন এই দলের ব্যানারেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে লড়বেন বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

নিজেকে আহ্বায়ক হিসেবে ঘোষণা দিয়ে হুদা শুক্রবার বিকালে ঢাকার গুলিস্তানের একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিক দলযাত্রার ঘোষণা দিয়ে ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ রূপরেখা ঘোষণা করেন।

উল্লেখ করা যেতে পারে; কিছুদিন আগে অর্থাৎ গত ৬ জুন অভিমান করে তার সর্বশেষ দল বিএনপি ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা; যিনি ‘ব্যানাহুদা’ নামেই রাজনীতিতে অধিক পরিচিত। বিএনপি সরকার আমলে যোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা হুদা তার পদত্যাগপত্র বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছে পাঠিয়ে দেন।

হুদা বলেন; “নতুন রাজনৈতিক দল হবে সংসদের আসনভিত্তিক। তাদের কোন কমিটি জেলা-থানা-কিংবা ইউনিয়ন-এ থাকবে না। দলকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। যেখানে নতুন নেতৃত্ব থাকবে সব সময়।”

হুদা জানান; জিয়াউর রহমান-এর মতো করেই নতুন দল গঠন করতে চান তিনি। ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে বলেন; ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠন করা হয়েছিলো; জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে। সেই জোট থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।” যদিও এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি নামে নতুন রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন জিয়াউর রহমান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন এই সদস্য বলেন, “ যেহেতু দল হিসেবে বিএনপি সংগঠিত তাই সেই সময়ের ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট’ এতদিন সুপ্ত অবস্থায় ছিলো। এবারে সেই ফ্রন্টকে নতুন রাজনৈতিক দল হিসাবে ঘোষণা করছি।”

হুদা বলেন, “গতানুগতিক রাজনৈতিক দলের মতো হবে না আমার দল। জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট-এর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক হবেন ২১ সদস্যের একটি স্টিয়ারিং কমিটি। আর কেন্দ্র চালাবে ১০১ সদস্যের কমিটি।”

“নতুন ফ্রন্ট নির্বাচনমুখী হবে। সংসদীয় আসনভিত্তিক কমিটি হবে। অর্থাৎ, কমিটি তৈরি হবে ভোটকেন্দ্রের ভিত্তিতে।”; জানিয়েছেন ব্যানাহুদা।

দল গঠন করেই ব্যানাহুদা দাবী করেছেন; সামনের জাতীয় নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

নতুন দলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে ৭ই নভেম্বর হবে জানিয়ে হুদা বলেন; “আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতা হস্তান্তর হতে পারে। বিকল্প কোনভাবে নয়। আমরা রাজনৈতিক ধারণায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই।”

উল্লেখ করা যেতে পারে; নাজমুল হুদা নানান কারণে রাজনৈতিকভাবে আলোচিত এবং কখনও কখনও সমালোচিত। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা দেওয়ার কারণে মন্ত্রিত্ব থেকে সরেও যেতে হয় তাকে। শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে ২০১০ সালের ২৩ জুন তাকে বিএনপি বহিস্কারও করে। ভুল স্বীকার করে খালেদা জিয়ার কাছে আবেদন করার পর ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দলের সদস্যপদ ফিরে পান ব্যানাহুদা।
পান্থ রহমান, ঢাকা

বৃহস্পতিবার, ৯ আগস্ট, ২০১২

বিশ্বব্যাপী অ্যালার্ট : এফবিআইএর ওয়ানটেড তালিকায় বাংলাদেশী চিকিৎসক


এক বাংলাদেশী চিকিৎসককে (মেডিকেল ডাক্তার) খুঁজছে এফবিআই। তার বিরুদ্ধে কোর্ট ওয়ারেন্ট থাকার পরও তার দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে এফবিআই ওয়ানটেড হিসেবে সার্কুলার জারি করেছে সর্বত্র। যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল ব্যূরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) তাদের ওয়েব সাইটে ওয়ানটেড হিসেবে তার নাম প্রকাশ করেছে। কথিত বাংলাদেশী চিকিৎসকের নাম জাহিদুল ইসলাম। তার বর্তমান বয়স ৫৬ বছর। তার স্ত্রীও চিকিৎসক বলে জানা গেছে। এফবিআই বলেছে, ডা. জাহিদ একজন আমেরিকান মহিলাকে যৌন হয়রানি করেছেন। তার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর তিনি পালিয়ে যান। সূত্র নিউজ ওয়ার্ল্ড ।
এফবিআই’র অভিযোগে বলা হয়েছে, পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়াতে অবস্থিত এক বড় হাসপাতালে কাজ করতেন ডা. জাহিদুল ইসলাম। ১৯৯৬ সালের ৩রা অক্টোবর একজন মহিলা রোগীকে সার্জারির সময় তিনি এক ধরনের ওষুধ দেন। এতে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হন ওই মহিলা।
এই সুযোগে ডা. জাহিদুল ইসলাম যৌন হয়রানি করেন তাকে। অবসাদ কেটে গেলে নিজেকে যৌন হয়রানির শিকার হিসেবে শনাক্ত করেন রোগী। এই পর্যায়ে তার বিরুদ্ধে পেনসিলভেনিয়া স্টেট থেকে অভিযোগ আনা হয়। এরপর আসে ফেডারেল চার্জ। পেনসিলভেনিয়া ফেডারেল কোর্ট ডা. জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। কিন্তু তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এফবিআই বলেছে, ডা. জাহিদুল ইসলামকে সশস্ত্র বিপজ্জনক ব্যক্তি বলে অভিহিত করেছে এফবিআই। এ বিষয়ে যে কেউ কোন তথ্য পেলে নিকটস্থ আমেরিকান দূতাবাসকে অবহিত করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সূত্র: বেঙ্গলিটাইমস

চ্যানেল আই ও এনডিটিভিকে দীপু মনি : ইউনূস ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ অযাচিত : সীমান্তহত্যা আমাদের সব অর্জনকে বিপন্ন করছে


ডেস্ক রিপোর্ট

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ দাতাগোষ্ঠীর হস্তক্ষেপকে অযাচিত ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন ভালো চলছে। তবে তিনি স্বীকার করেন ড. ইউনূসকে নিয়ে সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে। চ্যানেল আইকে দেয়া সাক্ষাত্কারে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল ওই সাক্ষাত্কারটি প্রচার করা হয়।
ড. ইউনূসকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে খুব বড় আগ্রহ রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারির দিকে ইঙ্গিত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ড. ইউনূসের সঙ্গে কারও কারও ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের কারণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচিত হচ্ছে। বিভিন্ন সময় তারা জানতে চান ড. ইউনূসকে নিয়ে কী হচ্ছে। এটা তো একটা চাপ বটেই।
অন্যদিকে ভারতের এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে দীপু মনি বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা এখনও অব্যাহত আছে। সীমান্তহত্যা আমাদের সব অর্জনকেই বিপন্ন করেছে। সীমান্তহত্যা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর দীর্ঘ ছায়া ফেলছে—এমন মন্তব্য করে দীপু মনি বলেন, ‘আমরা সব সময় ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছি এবং তারাও বারবার বলেছে সীমান্তে সর্বোচ্চ সংযম দেখাবে। বর্তমানে লক্ষণও ভালো, তবে আমরা চাই হত্যাকাণ্ড যেন শূন্যের কোটায় নেমে আসে। বাংলাদেশের প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি না হলেও ট্রানজিট দেয়ার কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দীপু মনি বলেন, ভারতকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি কোনোভাবেই শর্ত নয়। তবে তিস্তা চুক্তি হলে তা সহায়ক হতো।
গতবছর সেপ্টেম্বরে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের সময় তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষ হতাশ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, বিষয়টি দ্রুত হয়ে যাক। আমরা অপেক্ষায় আছি। আর আমরা চাই, দেরি না করে তাড়াতাড়িই এটা হোক।
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি এনডিটিভিকে বলেন, দুপক্ষই এ ব্যাপারে কাজ করছে। সড়ক, নৌ ও রেল ট্রানজিটের বিষয়গুলো জড়িত থাকায় এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদাহরণগুলো মিলিয়ে দেখে অবকাঠামো ও আইনগত বিষয়গুলো ঠিক করা হচ্ছে। এ জন্যই এ কাজে কিছুটা সময় লাগছে। তিস্তা চুক্তি না হওয়ার কারণে ট্রানজিট আটকে আছে কি না—এনডিটিভির এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ট্রানজিটের বিষয়টি কোথাও কোনো কারণে আটকে নেই। নিজস্ব গতিতেই এর কাজ চলছে।’
গত বছর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে একেবারে শেষ মুহূর্তে তা আটকে যায়। দীপু মনি এনডিটিভিকে বলেন, গত বছর নভেম্বরে ব্যাঙ্গালুরুতে আইওআরসির বৈঠক শেষে ফেরার পথে তিনি কলকাতায় মমতার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। সে সময় তদের মধ্যে তিস্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসীদের কারণে আসামে সাম্প্রতিক দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতের বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলে অভিবাসনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় অভিবাসন হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। তবে তাদের বেশিরভাগই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ থেকে কত লোক ভারতে অভিবাসী হয়ে গেছে তার কোনো হিসাব বাংলাদেশের কাছে নেই।
গত মাসে আসামে মুসলমান ও বোড়ো সম্প্রদায়ের মধ্যে শুরু হওয়া এ জাতিগত দাঙ্গায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় দুই লাখ মানুষ। দেশটির প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এ দাঙ্গার জন্য বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসীদের দায়ী করে আসছে।
১৯৭১ সালে ভারতে মানবিক কারণে বাংলাদেশের মানুষকে আশ্রয় দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনডিটিভির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান কী। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কখনও ১৯৭১ সালের কথা ভুলে যায়নি। সে বিবেচনায় মানবিক কারণে ১৯৭৯ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে এসেছে, তাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। দাঙ্গার পর রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের খাবার, প্রাথমিক চিকিত্সা ও আশ্রয় দিয়ে বুঝিয়ে-শুনিয়ে আবার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
জুন মাসে দাঙ্গার মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে প্রবেশকারীরা শরণার্থী নয়। তাহলে আপনি কীভাবে তাদের বিষয়টির সুরাহা করবেন। তাদের ফেরত পাঠাতে হবে এবং তাদের ফিরে যাওয়াটাই একমাত্র সমাধান। বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিতর্কিত লেখার পর মৌলবাদীরা তার বিরুদ্ধে ক্ষেপে যায়। তখন তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। তবে দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তার সব অধিকার রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তার দু-একটি বই পড়েছি। তবে তার লেখা আমি খুব একটা পছন্দ করি না। আমি মনে করি, একজন লেখক হিসেবে অবশ্যই তার নিজস্ব ভাবনা তুলে ধরার অধিকার আছে।
আমারদেশ: ৯ আগষ্ট

শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১২

আজ শুরু হচ্ছে মানব উন্নয়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অংশ নিচ্ছেন ভারতের মন্ত্রী জয়রাম রমেশ


৪ আগষ্ট, ঢাকা:
জাতিসংঘের ৬৬তম সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত মানব উন্নয়ন মডেল নিয়ে দুই দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ওই সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন বিশ্বের ৬২ দেশের প্রতিনিধিরা। সম্মেলন পূর্ব এক  সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস জানান; বাংলাদেশের প্রস্তাবিত এই মডেলের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সাম্যতা বিধান, সবার জন্য চাকরী, মানব উন্নয়ন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী নারায়ন কাজি শ্রেষ্ঠ, ভারতের পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ, শ্রীলংকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জি এল পেরিশ, ভূটানের হিউম্যান সেটেলমেন্ট মন্ত্রী লোয়েনপো ইয়েশহে জিমবা, মালদ্বীপের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী হামিদ, জাতিসংঘের আন্ডারসেক্রেটারী ও ইউএন-হ্যাবিট্যাট বিভাগের নির্বাহী ডক্টর জোয়ান ক্লোসসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, আমলা, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগ দেবেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও। থাকবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা।
পান্থ রহমান, ঢাকা